সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

স্কুলছাত্র আদনান কবির হত্যা

উত্তরায় ক্লাস নাইনের এক ছেলেকে খুন করেছে বিরোধী গ্যাঙের ছেলেরা -- এই হলো সংবাদ। স্ক্রিনশটে ছেলেটার ফেইসবুক প্রোফাইল: Adnan Kabir (Smoke).
আমি আসলেই জানতাম না তরুণ ছেলেমেয়েরা, বিশেষতঃ অর্থবিত্ত সম্পন্ন ঘরের ছেলেমেয়েরা এতটাই অবাস্তব জগতে বাস করে! আজকেও হয়ত জানা হত না; নামাজ শেষে ঘুমাতে যাবার আগে একটু ফেইসবুক ওপেন করতেই Masum ভাইয়ের শেয়ার দেয়া নিউজ দেখলাম, তারপর ইন্টারনেটে আর ফেইসবুকে ঘন্টাখানেক ঘাঁটাঘাঁটি করলাম। যতই পোস্ট দেখছি, লেখা পড়ছি, ভিডিও আসছে, ছবি দেখছি -- ততই আমার হৃদয় ভেঙে গেছে! হায় আল্লাহ! এই ছেলেদের বাবা-মায়ের কী হবে! আরো কত বাচ্চা এভাবে শেষ হয়ে যাবে? আমি কেবল একের পর এক পোস্ট দেখছি আর আল্লাহ আল্লাহ করছি: কিভাবে তরুণ প্রাণগুলোকে বাঁচানো যাবে! :'(
আমি দেশের বাইরে আছি বেশ অনেকদিন, একদিকে দেশের সাথে ডিফরেন্ট টাইম জোনে, আরেকদিকে পড়ার চাপ -- অনেক নিউজই জানতে পারি না, জানা হয়ে ওঠে না। আমার মনে পড়ছে গুলশানে হোলি আর্টিসান বেকারিতে যখন সন্ত্রাসী হামলা হলো, তখন আমি দিল্লীতে, হোটেলে বসে একটু পরপর ফেইসবুক পেইজ রিফ্রেশ দিচ্ছি আর আপডেট জানার চেষ্টা করছি! আর আজকে এখানে বসে যখন উত্তরার এই কাহিনী জানলাম, মেবি ঘটনার চারদিন পর, তখনও আমার একই অনুভূতি হচ্ছে। হায় আল্লাহ, কিভাবে এই তরুণদের বাঁচানো যাবে! :'(
আমি পড়াশুনা মোটামুটি শেষ করে প্রফেশনাল লাইফে ঢুকে পড়েছি, এখন যদিওবা মাস্টার্স করছি, তবু সার্কেল আমার বেশিরভাগই প্রফেশনাল লোকজন; ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত সবাই। তবু আল্লাহর ইচ্ছায় আমার সার্কেলে আরো অনেকে আছেন, যারা বয়সে ছোট, হয়ত অনার্স সেকেন্ড ইয়ার, কিংবা এই আদনান কবিরের মত ক্লাস নাইনে পড়ে! এবং তারা আমার ভালো বন্ধু। তাই যখন সংবাদ দেখি: ক্লাস নাইনের ছেলে বন্ধুদের হাতে খুন -- তখন সেটা আমার ভিতরে নাড়া দিয়ে যায়! আল্লাহ না করুন, এসবের গোড়া যদি এখনই বন্ধ করা না যায়, তাহলে হয়ত আমারই জুনিয়র কোনো বন্ধু পরদিন এভাবে নিউজ হবে! :-(
আমার মনে আছে, গতবছর Helal মামার সাথে রাজশাহীতে গিয়েছিলাম, মামা তার কথার জাদু দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে সেখানে একটা ইনস্ট্যান্ট প্রোগ্রাম করে ফেলল, আর সেখানে আমার পরিচয় হয়েছিল এমন বয়সীই কিছু বন্ধুর সাথে। জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কার কী হবার ইচ্ছা। একজন ক্রিকেটার হতে চায় বলেছিল, মনে পড়ে। এমন আরো টুকটাক স্মৃতি। তখনই ওদেরকে ফেইসবুকে অ্যাড করে নিয়েছিলাম। তারপর এখন যখন সেই ছেলের ডিপ্রেসিভ কথাবার্তা ফেইসবুকে দেখি, তার লেখা পোস্টগুলো, তার দেয়া শেয়ারগুলো, বারবার নিজের নাম চেইঞ্জ করে কোনো একটা আইডেন্টিটির আড়ালে লুকাবার চেষ্টা -- তখন মনে হয়, আমি খুব বড় অপরাধ করে ফেলছি। এই ছোট্ট বন্ধুকে আমার সময় দিতে হবে, এটা আমার দায়িত্ব, খোদাতায়ালা আমাকে কিছু বুঝ দিয়েছেন, কিছু সুযোগ দিয়েছেন - ক্যারিয়ার, ব্যস্ততা - কোনো কিছুর অজুহাতেই আমি এ দায়িত্ব এড়াতে পারব না আল্লাহর কাছে!
এখন আমি বুঝি হেলাল মামা কেন দেশের এমাথা ওমাথা দৌড়ে বেড়ান, কিসে তাকে তাড়িয়ে বেড়ায় রাস্তায়, টঙে, ইউনিভার্সিটির চত্ত্বরে, রেডিও-টিভির প্রোগ্রামে! কিছু জিনিস চোখে দেখা যায় না -- একটা মানুষ বেঁচে থাকলে নিউজ হয় না -- কিন্তু হয়ত আজকে একটা মানুষ বেঁচে আছে কারো অনুপ্রেরণামূলক দুটো কথায়, একটু স্নেহ-ভালোবাসায়! এই গল্পগুলি কেউ লিখবে না -- কারো দুটো দিন বেশি বেঁচে থাকার গল্প কেউ লেখে না, মানুষ শুধু লিখবে যখন এরকম প্রাণ ঝরে যাবে তখন -- কিন্তু আমি নিশ্চিত খোদাতায়ালার কাছে এই গল্পগুলি লেখা হয়; এই শমশের আলী হেলালের মত মানুষেরা যখন অন্ধকারে ডুবে যাওয়া তরুণদের আলোতে নিয়ে আসেন, তখন সে গল্প তোমরা খোদার কাছে শুনে নিও!
আমার বলতে মন চায়, মামা, যে যাই বলুক আপনি আপনার পথে চলবেন; আল্লাহ আপনাকে আরো বাঁচিয়ে রাখুন, সুস্বাস্থ্য দিন, আপনি আমাদের তরুণদের বাঁচান!
আমি জানি, ভাইস সিটিসহ ভায়োলেন্সের নানান গেইম খেলতে খেলতে অবাস্তব কল্পনার জগতে প্রবেশ করা, তারপর ক্ষমতা দেখাতে গ্যাঙ খোলা, এবং শুধু ক্ষমতা দেখানোর জন্যই কোনো টাকা পয়সার বিষয় ছাড়াই আরেক গ্যাঙের ছেলেকে হত্যা করা -- আমি জানি এইসব কাজে জড়িত তরুণ সমাজের ক্ষুদ্র একটা পার্সেন্টেজ। আর আমি এ-ও জানি, এই তরুণদের বাঁচানোর ক্ষমতা আমাদের দেশের ট্র্যাডিশনাল হুজুরদের নেই, ইসলামী দলগুলোর নেই। তারা কেয়ারও করে না উত্তরার ধনী পরিবারের কোনো বখে যাওয়া সন্তান মরে গেলে! আমি জানি তারা এমন ছেলেদের ভবিষ্যত মৃত্যুকে ঠেকাতে পারবে না। তাদের সেই যোগ্যতা নেই, তাদের সেই স্মার্টনেস নেই, তাদের মাঝে সেই ম্যাজিক নেই, ভালোবাসা নেই। আফসোস, আপনারা জেনে রাখেন আজকে আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের মাঝে থাকলে এই ছেলেরা এভাবে বখে যেত না, তিনি ভালোবাসা দিয়ে সবাইকে বাঁচিয়ে তুলতেন আমি নিশ্চিত!
কিন্তু কে এগিয়ে আসবে? কে একটু চিন্তা করবে এসবের সমাধানের জন্য? আমেরিকায় ক্লাস টু-র ছেলে বাবার রিভলবার এনে ক্লাসমেটদের গুলি করে হত্যা করে কিসের জন্য? তারতো কোনো টাকা বা টেন্ডারবাজির মোটিভ ছিল না! আদনান কবিরকে যারা হত্যা করেছে, তাদেরও তো কোনো আর্থিক লাভের ইস্যু ছিল না!
আজকে আদনান কবির ক্লাস নাইনের ছাত্র বন্ধুর হাতে খুন হয়েছে দেখে আমরা আঁতকে উঠছি। কালকে যখন ক্লাস টু-র ছাত্র বাবার রিভলবার এনে স্কুল-শ্যুটিং করবে? আমরা কি সেই ভবিষ্যতটা দেখতে পাচ্ছি? আমাদের পিতা-মাতারা কি সেই ভবিষ্যতটা দেখতে পাচ্ছে? আজকে যে আপনার সন্তান খুন হচ্ছে, খুন করছে, এই ভবিষ্যতটা কি তখন দেখতে পেয়েছিলেন, যখন তার আবদার মিটিয়ে হাই কনফিগারেশান পিসি আর গাদা গাদা গেইমস কিনে দিয়েছিলেন? না, দেখতে পাননি। ভায়োলেন্স ও সেক্স উস্কে দেয়া হলিউডের যত মুভি আর গেইমস -- এগুলো যে আপনার সন্তানকে; এবং গোটা জাতিকে সেই অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, যখন ক্লাস টু-র বাচ্চা তার বন্ধুদের গুলি করবে -- তা কি আপনারা আদৌ বুঝতে পারেন?
আমারতো মনে হয় না। বরং আপনারা নিজেরাই গাফেল হয়ে আছেন, আপনাদের চোখেও পর্দা পড়ে গেছে: উত্তরায় নাহয় ওমুক জায়গায় একটা ভালো ফ্ল্যাট, গাড়ি, বাড়ি, দামী ফার্নিচার…।
আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা নিজেরা খোদার দিকে ফেরেন, খোদামুখী হন। বাংলাদেশে দশটা কেন, দশ হাজার সমাজবিজ্ঞানী এইসব ভবিষ্যৎবাণী করেও কোনো লাভ হবে না, যদি আপনারা গার্ডিয়ানরা সচেতন না হন। আপনাদের নিজেদেরকে সমাজবিজ্ঞানীর চেয়েও বেশি দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হতে হবে, পলিটিশিয়ানদের চেয়েও পলিটিক্সের গতিধারা বেশি বুঝতে পারতে হবে, হুজুরদের চেয়েও ইসলাম বেশি জানতে হবে -- কারণ আপনারাই মানুষ গড়বেন, সন্তান আপনাদেরই। তাকে ছেড়ে দিয়েন না - তাহলে বেঘোরে প্রাণ হারাবে ডিসকো বয়েজ বা এমন কোনো গ্যাঙের হাতে, কিংবা রাজনীতিকদের ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী হিসেবে ইউজড হয়ে প্রাণ হারাবে লীগ-দল বা অন্য কোনো শিরোনামে, কিংবা ধর্মসন্ত্রাসীদের খপ্পরে পড়ে isis এর মত সন্ত্রাসীদের দলভুক্ত হয়ে জবাই করবে আর জবাই হবে -- কারণ আপনি তাকে ইসলাম শিক্ষা দেন নাই, আপনি তাকে রাজনীতি শিক্ষা দেন নাই, আপনি তাকে সমাজনীতি শিক্ষা দেন নাই। আপনি বিয়ে করেছেন আর বাই প্রোডাক্ট হিসেবে সন্তান জন্ম দিয়ে খালাস হয়েছেন, অথচ জানেন না যে, সমাজ, দেশ বা জাতির মৌলিক ইউনিট পরিবার form করেছেন আপনি - It's not simply having sex and then having babies, it's much more than that. It is to build a nation, to protect a nation, to save the human race and thus rightly performing your duty as appointed by God : vicegerent of Allah.
আল্লাহ হেফাজত করুন।
নূরে আলম
জানুয়ারি ১০, ২০১৭।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

টাকার ইতিহাস, মানি মেকানিজম ও ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের মহা জুলুম

(লেখাটি পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।) **জালিমের বিরুদ্ধে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম**

জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মাস হলো মহররম মাস।
জালিমের মুখোশ উন্মোচনের মাস মহররম।
জুলুমের কূটকৌশল উন্মোচনের মাস মহররম।
আধুনিক সেকুলার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় লেজিসলেশান (সংসদ), আর্মড ফোর্সেস (আর্মি) ও জুডিশিয়ারি (আদালত) হলো এক মহা জুলুমের ছদ্মবেশী তিন যন্ত্র, যারা পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করে জুলুম টিকিয়ে রাখার জন্য।
তারচেয়েও বড় জালিম হলো big corporations: বড় বড় মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, যারা তাবৎ দুনিয়াকে দাস বানিয়ে রেখেছে।
আর এই দাসত্বের শৃঙ্খলে তারা আমাদেরকে আবদ্ধ করেছে ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে:
টাকা আমাদের শ্রমকে ধারণ করে, অথচ সেই টাকার মূল্য আপ-ডাউন করায় অন্যরা -- ব্যাংক ব্যবসায়ীরা!
টাকা আমাদের শ্রমকে সঞ্চয় করার মাধ্যম,
অথচ সেই টাকা আমরা প্রিন্ট করি না, প্রিন্ট করে (ব্যাংকের আড়ালে) কিছু ব্যবসায়ী! সেই টাকার মান কমে যাওয়া (বা বেড়ে যাওয়া) আমরা নির্ধারণ করি না -- নির্ধারণ করে ব্যাঙ্ক (ব্যবসায়ীরা)!
ইমাম হুসাইনের (আ.) প্রতিবাদী চেতনাকে ধারণ করব, শোকাহত হব কারবালার স্মরণে, অভিশাপ দেব জালি…

ধর্মব্যবসা: মুসলমানদের হাতে ইসলাম ধ্বংসের অতীত-বর্তমান (১)

ভূমিকা যদিও পলিটিকাল-রিলিজিয়াস ইস্যুতে নিশ্ছিদ্র আর্গুমেন্ট উপস্থাপন করে আলোচনা করার অভ্যাস আমার, কিন্তু এখানে বিস্তারিত ইতিহাস তুলে ধরে আর্গুমেন্ট করার প্রথমতঃ ইচ্ছা নেই, দ্বিতীয়তঃ সময় ও সুযোগ নেই। আমি যা সত্য বলে জানি, তা সংক্ষেপে তুলে ধরছি। যারা আমার উপর আস্থা রাখেন তাদের জন্য এই লেখাটি সোর্স অব ইনফরমেশান, উন্মুক্ত হৃদয়ের মানুষদের জন্য সত্য অনুসন্ধানের নতুন কিছু টপিক, আর প্রেজুডিসড ধর্মান্ধ রোগগ্রস্ত অন্তরের জন্য রোগ বৃদ্ধির উছিলা। শেষ পর্যন্ত আর্গুমেন্ট ও ডায়লগের দুয়ার উন্মুক্ত রাখার পক্ষপাতী আমি, কিন্তু সেই আর্গুমেন্ট অবশ্যই সত্য উন্মোচনের নিয়তে হওয়া উচিত, নিজের দীর্ঘদিনের লালিত বিশ্বাস ও ধ্যান ধারণাকে প্রতিষ্ঠা করবার উদ্দেশ্যে নয়। মক্কা-মদীনা: মুহাম্মদ (সা.) থেকে আলে-সৌদ (৬২৯-১৯২৪) এদেশের অধিকাংশ মানুষ মক্কা-মদীনার ইতিহাস কেবল এতটুকু জানেন যে, মুহাম্মদ (সা.) মদীনায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরবর্তীতে বিনা রক্তপাতে মক্কা বিজয় করেন। কিন্তু প্রায় চৌদ্দশ’ বছর আগে মুহাম্মদ (সা.) এর প্রতিষ্ঠিত ইসলামী রাষ্ট্র থেকে আজকের রাজতান্ত্রিক সৌদি আরবের ইতিহাস কম মানুষই জানেন। পবিত্র ম…

পিস টিভি, জাকির নায়েক ও এজিদ প্রসঙ্গ

সম্প্রতি গুলশান হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশে পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছে। আমি তখন দিল্লীতে ছিলাম। দেশে ফিরে শুনি পিস টিভি ব্যান করা হয়েছে বাংলাদেশে, এবং তার আগে ইন্ডিয়াতে।

আমার বাসায় টিভি নেই, এবং আমি জাকির নায়েকের লেকচার শুনিও না। কিংবা পিস টিভিতে যারা লেকচার দেন, বাংলা কিংবা ইংলিশ -- কোনোটাই শুনি না; প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া আমার ইসলামের বুঝ জাকির নায়েকসহ পিস টিভি ও তার বক্তাদেরকে ইন জেনারেল আমার কাছে অগ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। Peace TV বন্ধ হওয়ায় এদেশে বিকৃত ইসলাম প্রসারের গতি কমলো -- এটাই আমার মনে হয়েছে।

একইসাথে আমি এটাও মনে করি যে, যেই অভিযোগ পিস টিভিকে ব্যান করা হয়েছে, তা নিছক অজুহাত। জাকির নায়েক কখনো জঙ্গীবাদকে উস্কে দিয়েছেন বলে আমার জানা নেই। কিংবা পিস টিভির লেকচার শুনে শুনে ISIS জঙ্গীরা সন্ত্রাসী হয়েছে -- এটা নিতান্তই হাস্যকর কথা। ISIS এর ধর্মতাত্ত্বিক বেইজ সম্পর্কে মোটেও ধারণা নেই, এমন লোকের পক্ষেই কেবল ISIS এর জন্য জাকির নায়েককে দোষ দেয়া সম্ভব। একইসাথে আমি এ বিষয়েও সচেতন যে, পিস টিভি বন্ধ করা হয়েছে আমাদের সরকারের রেগুলার “ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশ” হিসেবে, এই জন…