সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সমকামিতাকে বৈধতা দেয়া প্রসঙ্গে

১. ব্রিটিশ শয়তানদের পরিকল্পনা মোতাবেক ২০১২ সালে লন্ডন থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপে gay-friendly-mosque চালু করা হয়েছে, এবং সেখানে ভাড়া করা শয়তানদেরকে মুসলিম সাজিয়ে নামাজ পড়ানো হচ্ছে, এমনকি বেপর্দা নারীদের নেতৃত্বে, নারী-পুরুষ মিলেমিশে। যাহোক, এইযে বলছে "সমকামী-বান্ধব মসজিদ" -- একটু চিন্তা করে দেখুন, কোনো মসজিদে প্রবেশের সময় কি মুসল্লিকে বলতে হয় সে সমকামী নাকি স্বাভাবিক? সে বিবাহিত, কি অবিবাহিত? সে জেনাকারী, নাকি সাধু? না। তাহলে gay-friendly-mosque কথাটার অর্থ কী? বরং অসভ্য ইউরোপ-আমেরিকানদের যে বিভিন্ন 'সেক্স-ক্লাব' থাকে, সেটাকে যদি তারা একদিন gay-friendly ঘোষণা করে, তবে সেটা অর্থপূর্ণ হবে: এতদিন নারী-পুরুষ সেখানে মেলামেশা করতে পারত, এখন সমকামীরাও পারবে। কিন্তু মসজিদ তো যৌনকর্মের জায়গা নয় যে, সেটাকে সমকামী-বান্ধব ঘোষণা করতে হবে! অতএব, এগুলো শয়তানের এজেন্টরা নিউজ সৃষ্টির জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করেছে, যাতে মুসলিম সমাজকে উত্তেজিত করা যায়। একইসাথে ইসলামে সমকামিতার গ্রহণযোগ্যতা ১% হলেও সৃষ্টি করা যায়। আপনাদেরকে এই বিষয়টা বুঝতে হবে। ২. আমাদের আ...

কেন এরদোয়ান মুনাফিক?

এরদোয়ানের শাসনামলে (২০০৩-২০১৮) গৃহীত তুর্কি-ইজরাইল সম্পর্ক: ২০০৫ সালে ইজরাইলে গিয়ে তুর্কি-ইজরাইল সামরিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ইজরাইলকে প্রস্তাব এরদোয়ান। "ইরানের পারমাণবিক গবেষণা শুধু ইজরাইলের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্য হুমকি" -- এই উক্তিও করেন (যদিও ইজরাইলের ৪০০+ পারমাণবিক বোমা আছে, কিন্তু ইরান মেডিকেল সায়েন্স ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পরমাণু সমৃদ্ধ করলে সেটাকে বিশ্বের জন্য হুমকি মনে করেন এরদোয়ান। ইজরাইলের ৪০০+ পারমানবিক বোমাকে বিশ্বের জন্য হুমকি মনে করেন না!) নভেম্বর, ২০০৭ সালে ইজরাইলী প্রধানমন্ত্রী শিমন পেরেজ তুর্কি সংসদে বক্তব্য দেন। ২০১০ সালে (এরদোয়ানের উদ্যোগে নয়, বরং) তুর্কি বেসরকারী সংস্থার উদ্যোগে "গাজা ফ্রিডম ফ্লোটিলা" জাহাজ ফিলিস্তিন অভিমুখে রওনা হয় সাহায্য নিয়ে। সেখানে ইজরাইলী সৈন্যরা হামলা করে ৯ জন তুর্কি নাগরিককে শহীদ করে। এই নিয়ে তুর্কি-ইজরাইল কূটনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হলে ২০১৬ সালে সেটা আবার পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়। ইজরাইলের সাথে এরদোয়ান নিম্নোক্ত চুক্তি করেন: ১. গাজা ফ্রিডম ফ্লোটিলার শহীদগণকে হত্যার দায়ে ইসরাইল...

সংখ্যালঘুদের উপর জুলুম

১. আল জাজিরা টিভি VR চ্যানেল চালু করেছে। সেই চ্যানেলে আজমীর শরীফে ইফতারের ভিডিও পাবলিশ করেছে। খাজা মইনুদ্দিন চিশতীর মাজার সেখানে। টপ কমেন্টস এর সবগুলোতেই আমাদের "মুসলিম" ভাইয়েরা লিখেছেন: মাজার হলো শিরক, বিদআত, এগুলোর কোনো স্থানই ইসলামে নাই। হতাশ হয়ে ভাবছি: হায়রে ইসলামের শত্রুরা! তোরা হৃদয়ের ধর্মের অনুসারীদেরকে আজ প্রেমের বিপরীতে নিয়ে গেলি! তারপরই নিচের দিকে একটা কমেন্ট পেলাম, একজন লিখেছে যে সুফিজমই প্রকৃত ইসলাম। তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আসলাম। ২. ইস্তানবুল শহর, তুরস্ক। এক মেয়ে মিনি স্কার্ট পরে বাসে উঠেছে। তার পিছনের সিট এক ছেলে, দাড়ি আছে। মেয়েটিকে বলছে, তোমার লজ্জা করে না? পরে বাস থামলে নামার সময় মেয়েটির গালে চড় মেরে দরজার দিকে এগিয়ে গেল; মেয়েটি উঠে এসে ছেলেটাকে ধরল, ছেলেটা মেয়েটাকে ধাক্বা দিয়ে বাসের ভিতরে ফেলে দিয়ে নেমে গেল। পুলিশ তাকে অ্যারেস্ট করেও "তদন্ত চলছে" বলে ছেড়ে দিয়েছে। অথচ বিনা বিচারেই গুলেন সাপোর্টার ৩৮ হাজার নেতাকর্মীকে জেলে ভরতে পারে এরদোয়ান, সেজন্যে ৩৮ হাজার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীকে বের করে দেয়, সেটা আবার তার প্রধানমন্ত্রী লাইভ টিভিতে স্বীকার...

Ramadan Post

রমজান মাসের আর ৫ দিন বাকি। খোদাপ্রেম-খোদাভীতি বৃদ্ধি ও আত্মশুদ্ধির মাস। তবে একইসাথে জ্ঞানার্জনও জরুরি। সেজন্যে পুরো কোরআন ৩০ দিনে বুঝে পড়াসহ আরো বিভিন্ন আত্ম-উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা প্রত্যেকেরই করা উচিত। আর আপনার জন্য কোন কোন বিষয় জরুরি, কিভাবে পরিকল্পনা করা উচিত, তা আপনিই ভালো বুঝবেন। তবে যেমনই হোক না কেন, পরিকল্পনা যেন থাকে; রমজান মাস শুরু হবার আগেই। এটা নিজের কাছেই স্বীকার করা উচিত যে, জীবনের এতগুলো বছর পার হয়ে গেছে, অথচ আল্লাহর বাণী বুঝে পড়া হয়নি আমাদের বেশিরভাগ মুসলমানেরই। অবশ্য মেজরিটি মুসলমান যে কুরআন পরিত্যাগ করবে, সেকথা কুরআনেই আছে (সূরা:২৫, আয়াত:৩০)। আমার ব্যক্তিগত অধ্যয়ন ও পর্যবেক্ষণে দেখেছি যে, ধর্মের প্রাইমারি লেভেলের শিক্ষা অর্জন না করে ইউনিভার্সিটি লেভেলের বিষয় নিয়ে নাড়াচাড়া ও মাতামাতি করাটা আমাদের মধ্যে মহামারী আকার ধারণ করেছে। এমতাবস্থায় আমভাবে (general) কথা বলার ক্ষেত্রে বেসিক মৌলিক বিষয়ের আলোচনাই বেশি বেশি হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। যেমন, আল্লাহর মনোনীত ব্যক্তিদের সম্পর্কে নিচের সংক্ষিপ্ত আলোচনাটা দেখুন। ……………………………… ধর্মীয় বিষয়ে যাদের অনুসণ করা হয়, তা...

শবে বরাত: বিদাত?

যুগযুগ ধরে আমাদের দেশে শবে বরাত, শবে ক্বদর, ইদে মিলাদুন্নবী (সা.) ইত্যাদি পালিত হয়ে আসছে। 'বিদআত' শব্দটা আজকে যেভাবে সারা বাংলাদেশের মানুষ জানে, সেভাবে জানত না ৩০ বছর আগেও। হঠাতই যেন কোথা থেকে একদল ঝাড়ুদার হাজির হয়েছেন, আমাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের ইসলামে 'বিদআত' আবিষ্কার করে ঝাড়ু দিয়ে ঝেড়ে তা পরিষ্কার করে দিবেন। বিনা পয়সায় এত পরোপকার! না না। গোড়া অনুসন্ধান করলে দেখবেন, আলে সৌদের হারাম টাকাখোর। এরাই হলো সেইসব মানুষ, যারা দ্বীন শিক্ষা দেবার আগে বিদআত শিক্ষা দেয়। এদের সাইকোলজিকাল গেইমটা খুব সহজ। আপনি সহজ সরল মানুষ, আর সবার মত পরিবার ও সমাজ থেকে শিখে ইসলামী আচার অনুষ্ঠান পালন করেন। হঠাৎ সে এসে আপনার নামাজ, রোজা, নফল ইবাদত ইত্যাদি দেখে আঁতকে ওঠার মত করে বলবে: "আ! সেকি ভাই! আপনার সব আমল তো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে! আপনিতো বিদাতে লিপ্ত!" আপনিতো সহজ সরল মানুষ। সুন্নাত বিদাত এত শব্দ তো জানেন না। আপনি তার কথা শুনে ভড়কে যাবেন। আর যেহেতু আপনার নিজের ধর্মীয় পড়াশুনা ও এই জগতে দৃঢ় কোনো জ্ঞান নেই, সেহেতু দুর্বল অনুভব করবেন। ব্যস, আপনার উপর সাইকোলজিকাল গেইম শ...

কুরানিস্ট ভিউ: শুধু কুরআনই কি যথেষ্ট?

১. 'কুরআন' হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ হতে একটি একক অনুভূতি / ভাব (sense)। এই ধাপে কুরআনের সংরক্ষণ বা বিকৃতি -- ইত্যাদি কোনো প্রশ্নই আসে না। অতএব, সংরক্ষণ পদ্ধতিরও প্রশ্ন আসে না। ২. অতঃপর এই অনুভূতি আল্লাহ তায়ালা মুহাম্মদ (সা.) এর হৃদয়ে 'নাযিল' করেছেন, সম্পূর্ণটা, একত্রে। প্রশ্ন হলো, এই স্তরে তা সংরক্ষিত থাকবে কিনা? এবং সংরক্ষণের পদ্ধতি কী? এর উত্তর সংক্ষেপে দিলে তা অসম্পূর্ণ হবে, কেননা নূরে মুহাম্মদীর (সা.) দৃষ্টিকোণ এক্ষেত্রে অপরিহার্য। তবে সংক্ষেপে বললে, মুহাম্মদ (সা.) নিষ্পাপ ও নির্ভুল তো বটেই, ব্যক্তিসত্তার দিক থেকে তিনি এত উচ্চ স্তরের যে, সেখানেও আসলে সংরক্ষণ ও বিকৃতি ইত্যাদি প্রশ্নই আসে না। অতএব, তিনি যা ধারণ করে আছেন, তা অপরিবর্তিত ও সংরক্ষিত রূপে আছে এবং থাকবেই। ৩. অতঃপর আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছাক্রমে বিভিন্ন সময়ে এই 'একক অনুভূতি', (যা আল্লাহর পক্ষ থেকে আগত, যাকে কুরআন বলা হয়, তা) থেকে মুহাম্মদ (সা.) বিভিন্ন অনুভূতি (ভাব - sense) আরবি ভাষায় মুখে প্রকাশ করেছেন, যেটাকে আমরা সাধারণভাবে 'নাযিল' হওয়া বলে থাকি। এইযে তা মানুষের ভাষায় প্রক...

ইউনিভার্সিটির ছাত্রদেরকে কেন কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে হচ্ছে?

১. বিগত কয়েকদিন যাবৎ দেশে কোটাবিরোধী আন্দোলন চলছে। আন্দোলনরত ছাত্রদের উপর সরকার কিভাবে পুলিশ লেলিয়ে দিচ্ছে, তা-ও সবাই জানেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ছাত্রদেরকে কেন এই আন্দোলন করতে হবে? ২. দুই হাজার সরকারী চাকরির জন্য কম্পিটিশান করছে চার লাখ ছাত্র। এই চার লাখ ছাত্রের সবাই HSC পাশের পর বিসিএস দেবার স্বপ্ন দেখে নাই। তারা স্বপ্ন দেখেছে ডাক্তার, এঞ্জিনিয়ার, ইকোনমিস্ট ইত্যাদি হবার। সেজন্যে তারা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিযোগিতা করেছে। কিন্তু পছন্দের সাবজেক্টে চান্স না পেয়ে হয়ত চান্স পেয়েছে ফরেস্ট্রিতে। ৩. এখান থেকেই সমস্যাটা শুরু। যার কেমিস্ট্রিতে আগ্রহ ছিল, পরীক্ষায় সামনের দিকে চান্স না পাবার কারণে তাকে হয়ত পড়তে হচ্ছে সংস্কৃত ভাষা নিয়ে। কেউবা আবার নিতান্তই অনাগ্রহ সত্ত্বেও কম্পিউটার সায়েন্সে পড়ছে। এরকম লাখ লাখ ছাত্রের উদাহরণ বাংলাদেশের ইউনিভার্সিটিগুলোতে ছড়িয়ে আছে। ৪. যে ডাক্তার হতে চায়নি, সে পাশ করে ডাক্তারি করলে রোগীর কী অবস্থা হবে? তেমনই আমাদের দেশের প্রতিটা সেক্টরের অবস্থা। HSC পাশের পর সরকারী ইউনিভার্সিটিতে চান্স পাবার জন্য অমানুষিক পরিশ্রম, তারপর পছন্দের সাবজেক্ট...

ইস্যু: বিয়ে, মোহরানা, তালাক, স্বামী-স্ত্রীর প্রাপ্য-প্রদেয়, ইত্যাদি

~~~বিয়ের চুক্তি সম্পাদন~~~ ১. দুইজন ন্যায় সাক্ষদানকারী মুসলিম পুরুষের উপস্থিতিতে একজন নারী ও একজন পুরুষ বিয়ের চুক্তি সম্পন্ন করবে। ২. এই চুক্তিকে অবশ্যই মৌখিকভাবে সম্পন্ন হতে হবে। (কাজী অফিসের রেজিস্ট্রি, কাগজে সিগনেচার ইত্যাদি রাষ্ট্রের প্রয়োজনে, ইসলামী পদ্ধতিতে বিয়ের প্রয়োজনে নয়।) ৩. আর্থিকভাবে নির্ভরশীল পক্ষকে (অর্থাৎ, পাত্রীকে) চুক্তিনামা উচ্চারণ/পাঠ করতে হবে। অর্থাৎ, মেয়েটি এই ভাষায় বলবে: "X টাকা দেনমোহর পরিপূর্ণ গ্রহণক্রমে [(অথবা, X টাকা দেনমোহর, যার সম্পূর্ণটা অবশ্যই বিয়ের দিন থেকে শুরু করে Y মেয়াদের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে) (অথবা, X টাকা দেনমোহর, যার Z পরিমাণ এই মুহুর্তে প্রদেয়, ও অবিশষ্টাংশ বিয়ের দিন থেকে শুরু করে Y মেয়াদের মধ্যে অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে)] আমি আপনার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছি।" ৪. আর্থিকভাবে স্বনির্ভর পক্ষ (পাত্র) তখন বলবে: "আমি এই বিবাহ (এর চুক্তি) কবুল করছি।" (এটা ইসলামী অর্থনীতির একটি সাধারণ নিয়ম যে, আর্থিকভাবে নির্ভরশীল/দুর্বল পক্ষ চুক্তিনামা লিখবে/পাঠ করবে।) ৫. পাত্র-পাত্রী উভয়কেই কমপক্ষে নিচের আইন...

সূরা আবাসা

আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বেশকিছু ব্যক্তির নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি। বরং সেখানে সর্বনাম ব্যবহার করেছেন। অথচ সেখানে ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে দিলে উক্ত সর্বনাম দ্বারা কাকে বুঝানো হয়েছে, তা নিয়ে একাধিক মত সৃষ্টির সুযোগ থাকত না। যেমন, সূরা আবাসায় বিসমিল্লাহর পরের বাক্যই হলো, "তিনি ভ্রুকুঞ্চিত করলেন।" এই 'তিনি'-টা কে? তার নাম বলা হয়নি। অথচ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো কথার শুরুতে একবার হলেও বিশেষ্য (noun) ব্যবহার করে তারপর সর্বনাম (pronoun) ব্যবহার করতে হবে। সরাসরি সর্বনাম ব্যবহার করার মানেই হলো, ব্যক্তির নাম ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন রাখা হয়েছে। গোটা কুরআনজুড়েই এমনটা আছে। কিন্তু কেন? এর একাধিক কারণের মাঝে এটাও একটা কারণ যে, ঐসব নাম প্রকাশ করলে বহু মুসলমান কুরআনবিমুখ হয়ে যাবে, এমনকি ইসলামকে পর্যন্ত ত্যাগ করবে হয়ত,তাদের অন্ধভক্তি, গোঁড়ামি ও দলবাজিকে আঁকড়ে ধরতে গিয়ে। তা না হলেতো আল্লাহপাক সরাসরি বলেই দিতেন, কে ভ্রুকুঞ্চিত করেছিল? কিন্তু আল্লাহ তা বলেননি। কেননা তিনি দয়ালু। তিনি চান না ঐ ঘটনার শিক্ষা থেকে কেউ বঞ্চিত হোক। অতএব, এই ঘটনার শিক্ষা গ্রহণ করাটাই আমাদের জন্য...

শিয়ারা হযরত আলীকে প্রাধান্য দেয় কেন?

আমার একজন জুনিয়র আমার ওয়ালে একটি প্রশ্ন পোস্ট করতে চেয়েছে। যেহেতু সেই অপশন বন্ধ, তাই আমিই সেটা পোস্ট দিলাম (যেন তার বন্ধুরা দেখতে পায়, তার অনুরোধে)। প্রশ্ন: শিয়া মতাদর্শের মানুষদের মধ্যে দেখা যায় যে তারা হযরত আলী (রঃ) কেই বেশি প্রাধান্য দেয়।অথচ ইসলামের প্রসারে বা এর পিছনে অবদান অন্য ৩ খলিফার ও আছে।৪ খলিফাই ইসলামের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন।অথচ শিয়ারা আলী (রঃ) কে আলী (আঃ) বলেন এবং ইমাম ভাবেন।আমার প্রশ্ন হলো (রঃ) আর (আঃ) এর মধ্যে পার্থক্য কি?আমাদের রাসুল কে (সঃ) আর অন্যান্য নবীদের ক্ষেত্রে (আঃ) ব্যাবহার করেন।নিশ্চই আলী (রঃ) ইসলাম এর জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন।কিন্তু অন্যান্য নবীগন কি তার থেকে উত্তম নন?ইসলামের প্রসারে চার খলীফার অবদান এ দেখা যায় সবচেয়ে বেশি অবদান আবু বকর তারপর উমর তারপর উসমান তারপর আলী পর্যায় ক্রমে।তবে অন্য সবাইকে নিয়ে কেন তারা বলে না?শুধু আলী (রঃ) ই কি সব? আশাকরি সঠিক উত্তর পাবো। ....................................................................................... উত্তর: প্রশ্নটি কোনো শিয়া আলেমের কাছে করলে ভালো হতো। আমি আলেমও নই, কিংবা নিজেকে শিয়া...